Viral Videos - Tik Tok Shorts Viral - Bangladesh
*পুরুষের যৌন রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসায় কী কী ওষুধ রয়েছে*
যৌন রোগীদের রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার জন্য কোনো প্রকার ওষুধ না খাওয়ায় ভালো। কারণ প্রতিটি ঔষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আবার কিছু কিছু ঔষুধ খাওযার সাথে সাথে দ্রুত কাজ শুরু করে। যেমন- দ্রুত উত্তেজিত হওয়া, সময় বেশি পাওয়া ইত্যাদি। মনে রাখবেন এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
কোন প্রকারের যৌন সমস্যর জন্য ডাক্তার দেখাতে হবে?
যৌন রোগের লক্ষণ দেখা দিলেই ডাক্তার দেখাতে হবে এমনটা না। কিছু কিছু সমস্যা বাড়িতে বসে গাছগাছালির ঔষুধ দিয়েই ভালো হয়। আবার কিছু কিছু যৌন রোগ আছে যার জন্য ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন। *যেমন*:
১। জন্মগতভাবে যৌন সমস্যা।
২। যৌনাঙ্গে ঘা।
৩। প্রসাবের সমস্যার কারণে সৃষ্ট রোগ।
৪। গনোরিয়া।
এসকল রোগের জন্য ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন। অন্যথায় ঘরে বসে চিকিৎসা নেওয়া যায়।
যৌন রোগের সমস্যা ও চিকিৎসা?
১। বীয পাতলা: বীয পাতলা হলে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে আজওয়া খেজুর এবং এক চামুচ করে খাঁটি মধু খান। তকমা, তালমাখনা রাতে ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে খাবেন। প্রতিদিন সকালে এবং রাতে ১/২ মার্বেল তালমিছরি খাবেন। প্রতিদিন এক/দুই কোয়া করে রসুন খান। বেশি রাত জাগা থেকে বিরুত থাকবেন।
২। আগা মোটা গোড়া চিকন ও লিঙ্গ ছোট: এটা কোন রোগ না। এটাও লিঙ্গের স্বাভাবিক গঠন। যৌন মিলনের সময় এর কোন প্রভাব ফেলে না। তবে এই সমস্যা থাকলে হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিকার: এটি প্রতিকারের প্রতিরোধ উত্তম। প্রতিদিন ২ বার খাঁটি সরিষার তেল লিঙ্গে মালিশ করুন। লিঙ্গের চারপাশে তেল লাগানোর পরে ডান হাতের দুই আঙ্গুল দিয়ে লিঙ্গের গোড়ায় আলতো করে চেপে ধরুন। বাম হাতে দুই আঙ্গুল গোল করে দিয়ে লিঙ্গের আগা হতে চেপে গোড়ার দিকে নিয়ে আসবেন। এইভাবে কয়েকদিন চালিয়ে যান দেখবেন আপনার লিঙ্গের গোড়া মোটা হয়েছে এবং লিঙ্গের আগের তুলনা ১/২ ইঞ্চি বড় হয়েছে।
৩। লিঙ্গ ছোট: লিঙ্গের স্বাভাবিক আকার উত্তেজিত অবস্থায় ৪/৪.৫ ইঞ্চি থেকে ৬ ইঞ্চি পযন্ত স্বাভাবিক তবে ৩ ইঞ্চি সাইজ দিয়েও স্ত্রীকে পূর্ণ অরগারিজম করা যায়।
৪। দ্রুত আউট: দ্রুত আউট পুরোটাই নির্ভর করে নিজের মানসিকতার উপর। যদি হস্তমৈথুনের সমস্যা থাকে তাহলে আপনাকে ঘরোয়াভাবে কিছু ঔষুধ তৈরি করে খেতে হবে।
*যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছেন, লুকিয়ে রাখলেই হতে পারে মৃত্যু*
* যৌনরোগ হওয়া মানেই তা ছোঁয়াচে, এমনটা নয়
* যৌনরোগ হওয়া মানেই সবার আগে মাথায় আসে এইডস-এর নাম
* ঠিকঠাক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে আর পাঁচটা রোগের মতোন তা সেরে যায়
* সঠিক চিকিৎসা না হলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্তও ঘটতে পারে
যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু কাউকে কিছু বলতে পারছেন না। কারণ যৌনরোগ হওয়া মানেই সবার আগে মাথায় আসে এইডস-এর নাম। আর যৌনরোগ হওয়া মানেই তা ছোঁয়াচে। এই ধরনের চিন্তাভাবনা থেকেই আমারা নিজেদেরকে গুটিয়ে রাখি। খোলামেলা ভাবে নিজেকে যেন মেলে ধরা তো দূর ডাক্তারের কাছে গেলেও অনেকেই সঙ্কচবোধ করেন। কিন্তু এই গোপন রোগটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গভীর সমস্যায় ভুগছেন। হাজারো চেষ্টা করেও এই সমস্যা থেকে বের হতে পারছেন না অনেকেই আছেন যারা চিকিৎসকের কাছে গেল নিজের সমস্যা খুলে বলতে পারছেন না। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হতে পারে আপনারই। অনেকেই আছেন চিকিৎসকের কাছে গেলেও অনেক কিছু মিথ্যা কথা বলেন বা লুকিয়ে রাখেন। এটি করা কিন্তু একদমই ঠিক নয়। ঠিকঠাক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে আর পাঁচটা রোগের মতোন তা সেরে যাবে। কিন্তু আপনি যদি সেটা খুলে না বলেন তাহলে আপনার তো রোগ ঠিক হবে না উল্টে নানান সমস্যায় পড়ে যাবেন আপনি। এবং ভুল চিকিৎসার কারণে আপনার শরীরে আরও বড় কোনও সমস্যাও আসতে পারে। যৌনরোগ মানেই শুধু এইডস নয়, জেনে নিন কোন ধরনের যৌনরোগে প্রায়শই মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। যা সঠিক চিকিৎসা না হলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্তও ঘটতে পারে।
এইচআইভি: এই রোগটির কথা সকলেরই জানা। যৌন মিলনের ফলেই এইচআইভির বাহক একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। এই ভাইরাসের ফলে শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও নষ্ট হয়ে যায়।
ক্ল্যামিডিয়া: এটিও একধরনের যৌন রোগ। এই যৌনরোগটিতে আক্রান্ত হলে যৌনাঙ্গ থেকে অস্বাভাবিক ক্ষরণ শুরু হয়, তবে তাড়াতাড়ি চিকিৎসা হলে তা সেরেও যায়।
হেপাটাইটিস বি: অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যৌন মিলনের ফলে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত।
হার্পিস: এই রোগটি অনেকেরই হয়ে থাকে। এটি মূলত ভাইরাস বাহিত একটি রোগ। তবে যৌনমিলনের থেকেও এই রোগ হতে পারে।
গনোরিয়া: গনোরিয়াও একটি যৌন রোগ। এই রোগ হলে অস্বাভাবিক ক্ষরণ, টয়লেটে যন্ত্রণা হয়। ঠিকমতো চিকিৎসা হলে তা আবার সেরেও যায়।
সিফিলিস: এই রোগটি অনেক পুরোনো একটি যৌন রোগ। এটি মূলত এক ধরনের আলসার। যৌনাঙ্গের এই রোগ অনেক সময় মস্তিষ্ক ও চোখেও ছড়িয়ে পড়ে।
(অবহেলা নয়: জেনে নিন যৌন রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার)
মানবদেহ নানা রোগের বসতি। এমন সব ভয়ানক রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়, যা কখনো চিন্তাও করেন না। আবার অনেকেই আছেন যারা কিছু কিছু রোগের কথা লজ্জায় কাউকে বলতে পারেন না। যার ফলাফল একসময় আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
সাধারণত যৌন রোগে আক্রান্ত পুরুষ শারীরিক সম্পর্কের সময় তার সঙ্গীর দেহে এসব রোগ সংক্রমিত করে। এ কারণে এগুলোকে যৌন সংক্রমিত রোগ বলা হয়। বহু সংখ্যক যুবক এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে আমাদের দেশের মানুষ যৌন রোগে আক্রান্ত হলেও বিষয়টি লুকিয়ে রাখে। এমনকি চিকিৎসকের কাছে পর্যন্ত অনেক বিষয় গোপন করেন। যা করা আদৌ উচিত নয়।
এই রোগ পুরুষ বা নারী উভয়েরই হতে পারে। সঠিক সময়ে যৌন রোগের চিকিৎসা না নিয়ে অবহেলা করলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তেই থাকবে। তবে অনেকে এ সমস্যা বুঝতেই পারেন না। তাই সতর্ক থাকতে দেরি না করে চলুন জেনে নেয়া যাক যৌন রোগের লক্ষণ ও প্রতিকারের উপায়-
যৌন রোগের লক্ষণ
পুরুষের লিঙ্গ থেকে সাদা বা হলদে (হালকা হলুদ) রঙের এক প্রকার পদার্থ নিঃসৃত হয় এবং প্রসাবের সময় ব্যথা হয়। আরো মনে রাখুন-
* যৌন রোগী শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে সঙ্গীর দেহে রোগ সংক্রমিত করে। এসব রোগ যাদের আছে অনেক সময় তারা তা জানেন না অথবা রোগের প্রতি নজর দেন না।
* একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক মিলনে যৌন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
* যৌনাঙ্গ যদি প্রতিদিন, বিশেষ করে প্রতিবার শারীরিক সম্পর্কের পর পরিষ্কার করা না হয়, তাহলে যৌন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
যথা সময়ে চিকিৎসা না হলে যা ঘটতে পারে
* সংক্রমণের চিকিৎসা যদি তাড়াতাড়ি না হয়, তাহলে তা যৌনাঙ্গের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করবে।
* নারীদের জরায়ু টিউব ও ডিম্ব কোষ এবং পুরুষের বেলায় অণ্ডকোষ আক্রান্ত হয়।
* নারীরা প্রথম দিকে সাংঘাতিক অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। পরবর্তীতে বন্ধ্যাত্ব, বারবার বাচ্চা নষ্ট হওয়া অথবা মৃত বাচ্চা প্রসব হতে পারে।
* পুরুষেরা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারেন।
* আক্রান্ত পুরুষ অথবা নারীর সঙ্গীর মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়বে।
* প্রসূতি নারীর যৌন রোগের চিকিৎসা না হলে বাচ্চাও যৌন রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে।
যৌন রোগ প্রতিরোধ
যৌন রোগ প্রতিকারের জন্য যৌবনের শুরুতেই রোগের কারণ ও মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে জানা ও সচেতন হওয়া দরকার। আরো যা যা করতে হবে-
* কনডমের সঠিক ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে যৌনরোগ প্রতিরোধ করে।
* একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া শারীরিক সম্পর্কের পর যৌনাঙ্গ ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।
* রোগীর যৌন সঙ্গীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে এ রোগ অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়। প্রয়োজনে কনডম ব্যবহার করতে হবে।
* কেউ যদি মনে করে তার যৌন রোগ আছে তাহলে যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করানো উচিত। শুরুতে যৌন রোগের চিকিৎসা করা সহজ, পরে চিকিৎসা করা কঠিন।
চিকিৎসা
পুরুষ বা নারী যেই হোক না কেন যৌন রোগের কোনো প্রকার লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত। অনেকেই অ্যালোপ্যাথি অর্থাৎ উচ্চশক্তির অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। এক্ষেত্রে হোমিও ওষুধ বেশি কার্যকর ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন যা অঙ্কুরেই রোগের বীজকে বিনষ্ট করে দেয়।
তবে কেউ যেন কোনো প্রকার যৌন রোগে আক্রান্ত না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দেয়া উচিত। বন্ধুবান্ধব কেউ আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিক কোনো সংকোচ না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া উচিত।
মধু খাওয়ার উপকারিতা
স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ।
এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে।যৌন সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে মধু। যৌন শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।
মধু সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসের কথাঃ
এক লোক হজরত মুহাম্মদ সা:-এর নিকট এসে তার ভাইয়ের পেটের সমস্যার কথা জানালেন। রাসূলে পাক সা: বললেন, তাকে মধু খাওয়াও। লোকটি দ্বিতীয় দিন এলেন। হুজুর সা: বললেন, মধু খাওয়াও। লোকটি তৃতীয় দিনেও এসে বললেন, হুজুর সা:, আমি তো তাকে মধু খাইয়েছি। হুজুর সা: বললেন, আল্লাহ তায়ালা সত্য বলেছেন; তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যা বলছে। তাকে মধু খাওয়াও। তারপর মধু খাওয়ানোতেই তার পাকস্তলীর সমস্যা ভালো হলো (বুখারি)। হাদিসে আরো এসেছে, নবী করিম সা: বলেছেন, দু’টি আরোগ্য ব্যবহার করো; কুরআন এবং মধু (তিরমিজি, ইবনে মাজা, বায়হাকি)।
ঋতুস্রাব অনিয়মিত হতে থাকলে ছোট চামচে এক চামচ তুলসীর রস সমপরিমাণে মধু ও এক চিমটি বা একাটি গোলমরিচের গুঁড়ো এক সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার করে দুমাস নিয়মিত সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়। হঠাৎ যদি দাঁতে ব্যথা অনুভব হয় তাহলে মধুতে তুলা ভিজিয়ে ব্যথার স্থানে রাখলে ব্যথা কমে যাবে। দু চামচ মধুতে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ও রাতে সেবন করলে রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যায়।
মধুর উপকারিতা
মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়- সাধারানত প্রাকিতিক মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে প্রতিদিন হালকা গরম পানির সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান।
ওজন কমায়:
যদি প্রতিদিন সকালে মধু খান তাহলে আপনার বাড়তি ওজন কমবে। বিশেষ করে যদি পারেন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খান এতে করে বেশ খানিকটা ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই।
পানিশূন্যতায়:
ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।
বুদ্ধি বাড়ে:
মধু যে শুধু আপনার কায়িক শক্তি বাড়ায়, তা নয়। আপনি নিয়মিত প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে এক চামচ মধু খাবেন, কারন ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু মস্তিষ্কের কাজ সঠিক ভাবে চালাতে খুব সাহায্য করে ফলে আপনার মস্তিষ্কের শক্তি তথা বুদ্ধির জোর বেড়ে যাবে। যে কোনো কাজে কর্মে আপনার মগজ আগের চেয়ে বেশি কাজ করবে। যাদের সাধারণত মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য মধু এনে দেবে নতুন উদ্যম ও সৃষ্টিশীলতা।
হৃদ্রোগে:
এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ব্যথা নিরাময়ে:
আপনার শরীরের কি জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা? প্রচুর বাতের ওষুধ খেয়েও আজও কোনো ফল পাননি? তাহলে আজ থেকে মধু খাউয়া শুরু করুন। আপনার শরীরে যে অবাঞ্ছিত রসের কারণে বাতব্যামোর জন্ম, সে রস অপসারিত করতে মধু বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিছু দিন পর আপনার বাত ব্যাথা সেরে যাবে।
হজমে সাহায্য:
যাদের নিয়মিত হজমের সমস্যায় ভুগেন তারা প্রতিদিন সকালে নিয়মিত মধু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মধু আপনার পেটের অম্লীয়ভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা অনেকাংশে দূর করার জন্য মধু খেতে চাইলে প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।
শক্তি বাড়াতে মধু:
মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এই প্রাকৃতিক চিনি আপনার শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।
যৌন দুর্বলতায়:
সাধারণত পুরুষদের মধ্যে যাদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে তারা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারেন। তাহলে একটা সময় বেশ উপকার পাবেন। প্রখ্যাত কিছু মধু বিজ্ঞানীদের মতে দৈনিক লিঙ্গে মধু মাখলে লিঙ্গ শক্ত ও মোটা হয় এবং সহবাসে দীর্ঘসময় পাওয়া যায়। নিয়মিত মধু সেবন করলে ধাতু দুর্বল রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
পাকস্থলীর সুস্থতায়:
মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।
রক্ত পরিষ্কারক:
এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে এক বা দুই চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রিত পানি খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে অনেক সাহায্য করে। তাছাড়া রক্তনালী গুলোও পরিষ্কার করে থাকে।
কোষ্ঠকাঠিন্য:
মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
হাঁপানি রোধে:
আপনি যদি পারেন আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সাথে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। আপনি দিনে অন্তত তিন বার এই মিশ্রিত পানি খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করবে।
গ্যাস্ট্রিক আলসার:
আপনার হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে একজন ব্যক্তি প্রতিদিন নিয়মিত তিন বেলা দুই চামচ করে মধু খেতে পারে। এতে করে গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
আয়ু বৃদ্ধি:
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত যারা মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত তুলনামূলক ভাবে সেসব ব্যাক্তিরা বেশি কর্মক্ষম ও নিরোগ হয়ে বেঁচে থাকে।
রক্তশূন্যতায়:
মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।মধুর রয়েছে
দ্রুত বীর্য পাতের ইসলামিক চিকিৎসা
ইসলাম হল একমাত্র জীবন ব্যবস্থা। জীবনের সকল আদেশ-নিষেধ আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে জানিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য যেসব নেয়ামত দান করেছেন এই নেয়ামতের ভিতরে আল্লাহতালা সকল রোগের শেফা দিয়ে রেখেছেন। পবিত্র কুরআনে দ্রুত বীর্য পাতের ইসলামিক চিকিৎসা সম্পর্কে যেসব আদেশ-নিষেধ ও আল্লাহর নেয়ামত সম্পর্কে বলা হয়েছে সেগুলো বিস্তারিত দেওয়া হল।
১। তোমরা হালাল পবিত্র উত্তম রিজিক খাও আর সৎকর্ম করো। (সুরা-২৩ মুমিনুন, আয়াত: ৫১)। অতঃপর সকল বিশ্ববাসীর উদ্দেশে আল্লাহ তাআলা বলেন, হে মুমিনগণ! তোমরা হালাল উত্তম রিজিক আহার করো, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। হালাল খাবার হল আল্লাহ তাআলার একটি নেয়ামত, যেটা একজন পরিপূর্ণ ইমান্দার বেক্তিকে সুস্থ রাখে, এবং দৈহিক শক্তি বৃদ্ধি করে। তাই দ্রুত বীর্য পাতের থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রথমেই হালাল খাবার খেতে হবে।
২। মধুর মধ্যে রয়েছে অনেক রোগের শেফা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন : তাতে মানুষের জন্য রোগের প্রতিকার রয়েছে। (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৬৯)। আর যেকোনো রোগীকে মধু পান করলে সুস্থ হয়ে ওঠে জায়। তাই নিয়মিত মধু খেলে আপনার শরীল সবল ও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি যৌন শক্তি অধিক বৃদ্ধি পাবে।
৩। জয়তুন ফল, আমাদের নবী (সা.) এর প্রিয় ফল গুলোর মধ্যে একটি। মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা ত্বিনের প্রথম আয়াতে দুটি ফলের কসম খেয়েছেন। তার একটি ত্বীন ও অপরটি ছিল জয়তুন। তাই এই জয়তুন গাছকে মুবারক গাছ হিসেবে গন্য করা হয়। প্রিয় নবী (সা.)- এর খুবই পছন্দের ফল ছিল এই জয়তুন।আর এর তেল রাসূল (সা.) নিজে ব্যবহার করতেন। পাশাপাশি অন্যদের ও ব্যবহার করতে উপদেশ দিতেন। প্রিয় নবী (সা.), জয়তুন ফল ও তেলকে বরকত ও প্রাচুর্যময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। জয়তুন ফল ও তেলের উপকারিতা বলে শেষ করা সম্ভব নয়। যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধানের জন্য জয়তুন ফল ও তেল ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া বৈবাহিত জীবন যাপনে স্ত্রী পুরুষ ২জনের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি ও প্রজনন প্রক্রিয়াতে বিশেষভাবে সাহায্য করে জয়তুম তেল।
৪। আবু নাঈম ইবনে আবদুল্লাহ জাফর কর্তৃক বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সীনার গোশত অন্য সব গোশত থেকে উত্তম হয়ে থাকে। হাদিস বিশারদগণ লিখেছেন যে, এর রহস্য হলো, এই গোশতে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৫। ইসলাম ধর্মে মৃত্যু ব্যাতিত সকল রােগের ওষুধ মনে করা হয় কালােজিরাকে। তবে যৌন শক্তির বৃদ্ধির জন্য কালােজিরা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া হয়ে থাকে। যেমন - মধুর সাথে নিয়মিত কালােজিরা খেলে শরীল সবল হওয়ার পাশাপাশি যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়। আবার কালােজিরার তেল ব্যবহার করেও বিশেষ ফল পাওয়া যায়।
৬। আপনার যৌনাঙ্গের ক্ষমতার বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত সালাদের সাথে বিট যুক্ত করতে পারেন। বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমানে নাইট্রেট। যা আপনার যৌন জীবনকে চাঙ্গা রাখবে।
৭। কোনো কোনো বর্ণনায় আছে যে, হযরত আয়েশা (রা.) কর্তৃক বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা.) হাসীস খুব পছন্দ করতেন। হাসীস তিনটি উপাদানে তৈরী হয়। খেজুর, মাখন ও জমাট দধি। এ খাদ্য দ্বারা শরীর শক্তিশালী হয় এবং রতি শক্তি বাড়ে।
৮। ইমাম গাজালি (রহ.) তার রচিত এহইয়াউল উলুম গ্রন্থে লিখেছেন যে, চারটি বস্তু মানুষের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে। ১। চড়ই পাখি। ২। ত্রিফলা (হরিতকী, আমলকী ও বহেড়া)। ৩। পেস্তা। ৪। তাজাশাক-সবজি।
বেশিক্ষন বীর্য ধরে রাখবেন কি করে,জেনে নিন কিছু টিপস
ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বলা হয় । আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাত্ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে । কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার এ সমস্যা অর্থাত্ দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছে।দাম্পত্য জীবনে অসুখী পুরুষের আজকাল অভাব নাই। বর্তমানে অনেক পুরুষ মিলনে স্থায়ী করতে পারেন না।বহু কারণ থাকতে পারে এর পিছনে। যৌন মিলন নিয়ে যারা মানসিক ভাবে দুর্বলতায় ভুগেন তাদের জন্য আজ কিছু টিপস দিচ্ছি আশাকরি আপনার যৌন জীবনের জন্য টিপসগুলো অদ্বিতীয়।প্রথম প্রথম সব মানুষের ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞতা, লজ্জা, নিজের উত্তেজনা কে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা ইত্যাদির কারনে এমন টা হতে পারে। চিন্তার কিছু নেই। সময় নিন, তাড়াহুড়া করে মিলিত হবেন না। এই মুহূর্তে আপনার চিকিত্সকের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই বলেই মনে হয়। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার যে সমস্যা, সেটা খুবি স্বাভাবিক।চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা।
মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । অতিরিক্ত না করলে এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই ।এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে । বোঝানোর চেষ্টা করছি । ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০ মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায়সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় ।যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই, আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল , অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে,তখনি বের হয়ে গেল । এগুলো হল সমস্যা। সলিউশনে যাই এবার আমরা ।একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন . শরীর টাকে আপনার পার্টনারের শরীরের উপরে সমান্তরালে রাখার চেস্টা করুন।শরীরের পুরো ভার আপনার পার্টনারের উপর দিয়ে দিন।ওই অবস্থাতেই খুব রিলাক্স ভাবে আপ ডাউন করুন।মনে রাখবেন যদি শরীর আলগা করে আপ ডাউন করতে যান তবেই কিন্তু আউট হয়ে যাবে।
হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।মিলনের আগে অবশ্যই মন শান্ত রাখতে হবে, কোনভাবে নিজেকে উত্তেজিত কার যাবে না।মনে আজেবাজে চিন্তা আনা যাবে না।মেরে রাখবেন যৌন মিলন ক্ষণস্থঅয়ী হওয়ার মূল কারণ শারীরিক ও মানসিক দিন দিয়ে অস্থিরতা অনুভব করা।সকল প্রকার মানসিক, শারিরীক অস্থিরতা বা চাপ কমিয়ে নিজেকে সহজ করুন।এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।
একটি পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়ে ধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।
কনডম ব্যবহার করবেন। কারণ কনডম ব্যবহার করলে বীর্যপাত দেরিতে হয়।কনডম ইউজ করলে পুরুষাঙ্গে শির শির ভাব কম হয়, যার কারণে বীর্যপাত হতে দেরি হয়।যেকোন প্রকার নেশাজাত দ্রব্য পরিহার বাধ্যতামূলক। অনেকদিন যাবত্ য্যেন ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এবং যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য তামাকজাত দ্রব্য, মদ, অণ্রান নেশাজাত ওষুধ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না ।
যৌন মিরনের কক্ষেত্রে অবশ্যই ফোর প্লে পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।প্রয়োজনে বেশি সময় নিয়ে ফোর প্লে করবেন।বেশিক্ষণ এক আসণে যৌন মিলন করবেন না। ঘন ঘন আসন পরিবরর্তন করুন।নতুনত্ব যেমন মনোযোগ রোমাঞ্চিত করবে তেমনি মিলন দীর্ঘস্থায়ী করবে।তবে সঙ্গীর দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।দ্রুত বীর্যপাত, একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে। এটি সপ্তাহে একবারের বেশি না করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে ।যৌন মিলনকালে সঙ্গীর আধিপত্যে কখনো লজ্জাবোধ করবেন না।যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য শ্বাসপ্রশ্বাস ধীরে ধীরে নিন।এত করে আপনার পরিশ্রম কম হবে।যার জন্য আপনার শরীর দীর্ঘক্ষণযৌন মিলনের জন্য অটুট থাকবে।
জনকল্যাণ স্বার্থে অবশ্যই এই পোস্টটি শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষদের সুস্থ রাখুন ও সুস্থ থাকুন

No comments